💡 MRCP UK কি ? এবং 💡 MRCP UK Degree কেন করবেন ?

💡 MRCP UK Online কোর্সটি আমি কিভাবে করতে পারি ?
12th April 2018
MRCP UK করে আপনি কি কি Benefits পাবেন ?
20th April 2018

আমরা জানি, আপনার স্বপ্ন মেডিসিনে ক্যারিয়ার করা। তাহলে এমন কোন উপায় কি ভাবতে পারছেন, যা আপনাকে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি এনে দিবে? জ্বি, আপনি ঠিকই ভেবেছেন – আমরা ‘এমআরসিপি’র কথাই বলছি।

“উপযুক্ত প্রস্তুতির মাধ্যমে মাত্র ৩ বছরেই ‘এমআরসিপি’ অর্জন করা সম্ভব”

 

💡এমআরসিপি কি?

এটি যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অফ ফিজিসিয়ানের মেম্বারশিপ যা কিনা পার্ট-১, পার্ট-২ এবং PACES ক্লিনিক্যাল এই ৩টি ধাপের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।

রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ান এর রয়েছে সুদীর্ঘ ৫০০ বছরের ঐতিহ্য, যারা মেডিসিন প্র্যাকটিসের উন্নয়নে মানসম্পন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চিকিৎসকদের স্বীকৃতি দিয়ে আসছে।

 

💡এমআরসিপি কেন করবেন?

এমআরসিপি পরীক্ষার একেকটা ধাপের প্রস্তুতি নেয়ার মাধ্যমে আপনি এত বেশি মেডিসিনে পারদর্শী হয়ে উঠবেন, যা কিনা আপনার রোগীকে সর্বোচ্চ সুচিকিৎসা দেয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরী।

বিভিন্ন রোগের গাইড লাইন, রিসার্চ সম্বলিত সিলেবাস এবং প্রকৃত রোগীর সিনারিও ভিত্তিক প্রশ্ন থাকায় ক্লিনিক্যাল দক্ষতা ও বিচার বিচক্ষণতার সম্মিলন ও সম্প্রসারণ ঘটে এ ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে।

এই পরীক্ষা পাশের পর  যুক্তরাজ্যে স্পেশালিস্ট রেজিস্ট্রার হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়।

যুক্তরাজ্য ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেমন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মত দেশের স্বনামধন্য হাসপাতালগুলোতে চাকুরী করে প্রতি মাসে সর্ব নিম্ন ৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। এমনকি যারা অস্ট্রেলিয়ায় ক্যারিয়ার করার পরিকল্পনা করছেন, আপনার সিভিতে এমআরসিপি জব পাওয়ার দৌড়ে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

শুধু মেডিসিন নয়, যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মেডিসিনের অন্যান্য সাবস্পেশালিটিতেও ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

 

👉যাদের এমআরসিপি প্রস্তুতি নেয়ার এখনই সময় –

  • সদ্য এমবিবিএস পাশ করেছেন কিংবা ইন্টার্নশিপ করছেন
  • যারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বাইরে জব করছেন
  • যারা অন্যান্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে ডাক্তার হিসেবে মাইগ্রেট করতে আগ্রহী
  • জেনারেল প্র্যাকটিশনার, যারা অনেক বছর আগে এমবিবিএস করেছেন
  • বারবার বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়েও যাদের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন হচ্ছেনা

কিছুটা ব্যয় বহুল হলেও দ্রুত প্রতিষ্ঠা প্রাপ্তি কিংবা নামের পাশে আন্তর্জাতিক তকমা লাগাতে এটি বেশ সময়োপযোগী। সঙ্গত কারনেই এ ব্যাপারে সকলের কৌতুহল অনেক বেশী। তাই  এ সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যগুলো আলোচনা করা হল।

 

💡প্রাথমিক তথ্যঃ

. এমআরসিপি পরীক্ষার জন্য কখন, কিভাবে আবেদন করা যাবে?

উত্তর: এম.বি.বি.এস পাশ করার পরে এক বছর ইন্টার্নশীপ শেষ করার পর পরবর্তী সেশনেই একজন পরীক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন।

 

. পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন এবং তা কত ধাপে সংঘটিত হয়?

উত্তর: এম আর সি পি পরীক্ষাটি মূলতঃ তিন ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। পার্ট-১, পার্ট-২ (লিখিত), এবং PACES ক্লিনিক্যাল।

 

👉এমআরসিপি পার্ট:

প্রতি বছর সাধারণত জানুয়ারী, মে এবং সেপ্টেম্বর এই তিন সেশনে পরীক্ষা সংঘটিত হয়ে থাকে। পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। ওয়েবসাইটে এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য পরীক্ষার সময় দেয়া থাকে সুবিধামত সময়ে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.mrcpuk.org এদেশের জন্য জন্য নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি ৫৯৪ পাউন্ড। পার্ট-১ পরীক্ষা দুটি পত্রে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিটি পত্রে ১০০টি করে প্রশ্ন থাকে। দুই পেপারে সর্বমোট ২০০ টি প্রশ্ন। প্রতি পেপারে সময়সীমা ৩ ঘন্টা করে।

 

👉এমআরসিপি পার্ট :

এমআরসিপি পার্ট-২ (লিখিত) পার্ট-১ এর মত তিনটি সেশনে হয়ে থাকে প্রতিবছর। সাধারনত মার্চ, জুন এবং অক্টোবর এই তিন সেশনে পার্ট-২ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। পূর্বে উল্লেখিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করে পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে। পার্ট-২ পরীক্ষার জন্য কোন সময়সীমা নেই। পার্ট-১ পাশ করার পর যে কোন সেশনে পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারেন।পার্ট-২ পরীক্ষার জন্যও অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পার্ট-১ এর মত পার্ট-২ এরও পরীক্ষার জন্য ফি ৫৯৪ পাউন্ড। সম্প্রতি রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮ সাল হতে পার্ট-২ লিখিত পরীক্ষায় থাকবে দুইটি পেপার যা কিনা পার্ট ১ এর মত একদিনেই অনুষ্ঠিত হবে।  প্রতি পেপারে থাকে ৯০ টি করে প্রশ্ন, সময়সীমা ৩ ঘন্টা করে।

পার্ট-১, পার্ট-২ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে রয়েল কলেজ স্বীকৃত ঢাকার পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্রিটিশ কাউন্সিলের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়। তবে রেজিস্ট্রেশন বিলম্ব হলে ঢাকার বাইরের সেন্টার যেমন কলকাতা বা চেন্নাইতেও অংশগ্রহণ করা যায়।

 

.এমআরসিপি পরীক্ষা কি দেশে থেকেই দেওয়া যাবে?

উত্তর: পার্ট-১, পার্ট-২ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে রয়েল কলেজ স্বীকৃত ঢাকার পরীক্ষা কেন্দ্রে (ব্রিটিশ কাউন্সিলের অধীনে ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়। তবে রেজিস্ট্রেশন বিলম্ব হলে ঢাকার বাইরের সেন্টার  যেমন কোলকাতা বা চেন্নাইতেও অংশগ্রহণ করা যায়।

 

. এমআরসিপি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা কোথায় দিতে হয় এবং কেমন খরচ হয়?

উত্তর:  MRCP PACES পরীক্ষার জন্য রয়েল কলেজ কর্তৃক স্বীকৃত কোন পরীক্ষা সেন্টার এখনও বাংলাদেশ অনুমোদন পায়নি। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য UK (ইউ কে ), ভারত (কলকাতা, চেন্নাই) ওমান, ব্রুনেই, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কুয়েত প্রভৃতি দেশে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করতে হয়। ইউ কে সেন্টার গুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশনের ফি ৬৫৭ পাউন্ড। বাকী দেশগুলোতে পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১২০২ পাউন্ড।

MRCP ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ৫ টি স্টেশন থাকে। স্টেশনগুলোতে পরীক্ষার্থীর ক্লিনিক্যাল বিচার-বিচক্ষণতা, রোগীর সাথে কথোপকথন, সহমর্মীতা, বিভিন্ন সিস্টেম পরীক্ষার পারদর্শিতা, কাউন্সেলিং, রোগীর ইতিহাস নেওয়ার ক্ষমতা যাচাই করা হয়।

 

. এমআরসিপি পরীক্ষার জন্য কি কোন ট্রেনিং লাগে?

উত্তর: MRCP-ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার জন্য অন্তত দুই বছর প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও এর কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

 

. অনলাইনে আবেদনের জন্য কি কি কাগজ লাগে?

উত্তর: প্রতি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আপনাকে একটি আবেদন ফরম পূরন করতে হবে। পার্ট-১ পরীক্ষার জন্য আবেদন ফরম পূরণের সাথে সাথে রেজিস্ট্রেশন ফি অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দিতে পারেন । এছাড়া এম.বি.বি.এস সনদ এর ফটোকপি ব্রিটিশ কাউন্সিল অথবা রয়েল কলেজ এর অথোরাইজড্ ব্যক্তি কর্তৃক সত্যায়িত করে কুরিয়ারে পাঠাতে হবে নির্ধারিত ঠিকানায়।

 

👍এমআরসিপি অর্জনে SsAcademy কিভাবে আপনাকে সাহায্য করবে?

  • আংশিক এবং অনুপযুক্ত প্রস্তুতির কারণে বারবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে নিঃসন্দেহে আপনার আত্মবিশ্বাস এবং মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। SsAcademy আপনাকে সম্পূর্ণ পরীক্ষা-উপযোগী প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করে। এতে করে এলোমেলো প্রস্তুতির মাধ্যমে আপনার মূল্যবান সময়ের অপচয় হয়না।
  • এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর দায়সারা আলোচনা নয়, বরং পরীক্ষায় আসার মত প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিভাবে মনে রাখা যায় এবং সেই জ্ঞান পরীক্ষায় কাজে লাগানোর কৌশল সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়।
  • সমমনোভাবাপন্ন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি কেন্দ্রিক সখ্যতা, উপযুক্ত পরিবেশে নিয়মিত পরীক্ষা,এবং একাডেমির পেশাদারিত্ব তথা সাবলীল নিয়মতান্ত্রিকতা একজন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতিকালীন মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  • যৌক্তিক কারণে কোন ক্লাস মিস হলে, একজন শিক্ষার্থী ভিডিও ক্লাসের মাধ্যমে তা পুষিয়ে নিতে পারে। এছাড়া পার্ট-১ এবং ২ (লিখিত) এর জন্য বিশ্বের একমাত্র পরিপূণ ও বিশদ অনলাইন কোর্স করার সুবিধাও রয়েছে।
  • ভাবুন তো, মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আপনি (প্রায়) সারা বিশ্বে সমাদৃত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হবেন! এর জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ প্রশিক্ষণ, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং একাগ্র সাধনা। SsAcademy দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আপনার জন্য সর্বোত্তম প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে।

কোথায় কাজ করছেন, কি কাজ করছেন এসব নিয়ে  ভেবে আর কত সময়ক্ষেপণ করবেন? নিজেকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে, রোগীকে সর্বোত্তম সেবা দিতে, মেডিসিনের সঠিক প্র্যাকটিস নিশ্চিত করতে এমআরসিপি আপনার সামনে খুলে দেবে অমিত সম্ভাবনার দুয়ার।

– ডাঃ ফাতেমা তুজ জোহরা বৃষ্টি

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ

সেশন: ২০০৬-২০০৭

[Disclaimer : Information related to MRCP UK is collected from RCP official website]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Join now